
MSI বরাবরই পিসি কম্পোনেন্ট মার্কেটে বেশকিছু এগ্রেসিভ ডিজাইন ও পারফরমেন্স অফার করে থাকে কাস্টমারদের। বিশেষকরে জিপিউ সেক্টরে হাই পারফরমেন্স ও হাইভ্যালু প্রোডাক্ট লঞ্চের ক্ষেত্রে MSI জোড়ালো উপস্থিতির প্রমাণ দিয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত; হোক তা MSI RTX 5090 Suprim SOC কিংবা RTX 5090 Ligjting Z এর মাধ্যমে।
তবে আজকের এই আর্টিকেলটি মূলত ‘MSI RTX 5090 Suprim SOC’-কে নিয়ে। অর্থাৎ একজন কনজ্যুমার এই কার্ডটি থেকে কী ধরণের পারফরমেন্সের আশা করতে পারে তার একটা চুলচেড়া বিশ্লেষণ করা হবে; পাশাপাশি বেঞ্চমার্ক নাম্বারগুলোও শেয়ার করা হবে, যাতে আপনার জিপিউ আপডেট দরকার কিনা তা সহজেই বুঝতে পারবেন।
বর্তমানে পিসি কম্পোনেন্ট মার্কেটে সবকিছুর দাম আগুন গরম; বিশেষ করে প্রিমিয়াম সেগমেন্টের কার্ডগুলোর দাম যেকোন সময়ের চেয়েই কিছুটা বেশী। তাই, আপডেটেড প্রাইজ জানতে চাইলে PCB Store ভিজিট করার পরামর্শ থাকবে।
প্যাকেজিং এবং আনবক্সিং
প্রিমিয়াম সেগমেন্টের কার্ডগুলোর প্যাকেজিং ও আনবক্সিং এক্সপেরিয়েন্সেও প্রিমিয়াম ফিল আসা উচিত। এক্ষেত্রে MSI RTX 5090 Suprim SOC এই পরীক্ষায় সফলভাবেই উতরে গিয়েছে।
কার্ডটি বেশ বড়সড় একটা সাদা কালারের বক্সে প্যাকড থাকে। বাক্সের ফ্রন্ট কভারে অনেকটা ডায়ামন্ডের শেপের মাঝে এমএসআই এর ব্র্যান্ডিং, সুপ্রিম লোগো, এসওসি এবং কার্ডের মডেল নেইমের উল্লেখ আছে; এককথায় ‘সিম্পল বাট এলিগেন্ট।’ বাক্সের পিছে কার্ডের কিছু ফিচার, কিউআর কোড দেওয়া আছে; যেখানে অন্যান্য বক্সের কার্ডের মতো অহেতুক কোন ইনফো দিয়ে ফিল করে দেয় নাই।
বক্সটি জুয়েল কেইসের মতো করে খুলে আসে। একটি এন্টিস্ট্যাটিক ব্যাগে মোড়ানো এবং প্যাকিং ফোমের কাট আউটে কার্ডটি বেশ ভালোভাবেই সেট করা থাকে।
বক্সের সাথে একটা ১২ভি এইচপিডব্লিউআর কানেক্টর কনভার্টার, যা চার চারটি এইট পিন পিসিআই কানেক্টর থেকে একটি ১২ ভিএইচপিডব্লিউআর কানেক্টরে পাওয়ার দিতে পারে, এই কনভার্টারটি না ব্যাবহার করার পরামর্শ রইলো। এর পাশাপাশি জিপিইউ অ্যান্টি স্যাগ ব্র্যাকেট আসে, যা Suprim SOC-এর মত হেলথি জিপিউ’কে হরাইজন্টালি মাউন্ট করতে যথেষ্ট হেল্প করবে।

ভিজ্যুয়াল ইন্সপেক্সন
ভিজ্যুয়াল ইন্সপেক্সনে কয়েকটা পয়েন্ট উল্লেখ না করলেই নয়, যা আপনাকে কার্ডটির ভিজ্যুয়াল সম্পর্কে একটা ভালো আইডিয়া দিবে।
ডিজাইন ও বিল্ড


-
MSI Suprim লাইনআপের RTX 40 সিরিজের মতো এই কার্ডটিতে ফ্রন্ট শ্রাউডে ব্রাশড মেটালিক সিল্ভার ও গ্রে কালারের কন্ট্রাস্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাকপ্লেইটটি সম্পূর্ণ মেটালিক এবং এতে এয়ার ফ্লোর জন্য সুপ্রিম লোগোসহ একটি কাট-আউট আছে।
-
৩৫৯x১৫০x৭৬ মিমি এবং ওজন ২.৮৪ কেজি ওজনের এই কার্ডটি একটি ৪-স্লট কার্ড, তাই চ্যাসিস ও মাদারবোর্ডে প্রচুর স্পেস প্রয়োজন। অনেকেরই সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড, ক্যাপচার কার্ড থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে ক্লিয়ারেন্স একটা ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।
-
যেহেতু এটি পারফরমেন্স ফোকাসড কার্ড, সেহেতু যথেষ্ট পরিমানে ভেন্টিলেশনের ব্যাবস্থা কার্ডে লক্ষ্য করা যায়।
-
আইও পোর্টের কাছে ‘Suprim’ টেক্সটটি লক্ষ্য করা যায়, যা আরজিবি লাইটিং এর অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, শ্রাউডের আউটার এজের কোণায় যে সুপ্রিমের লোগোটি দেওয়া আছে ও কার্ডের ফ্যানগুলোর পাশে অনেকটা হাইলাইটের মতো যেই এরিয়াটি আছে, এসবই অ্যাডজাস্টেবল আরজিবি এর অন্তর্ভুক্ত।
ফিচার ও পারফরম্যান্স
-
এই কার্ডটিতে FanStop ফিচার’টি রয়েছে অর্থাৎ জিপিউ’তে লোড পরলে কিংবা টেম্পারেচার ৫০º এর বেশী চলে গেলে, ফ্যান চালু হবে। এর আগে ফ্যানগুলো আইডল অবস্থাতেই থাকে।
-
এই কার্ডটি সাইলেন্ট বায়োস মোডে ৫৭৫ ওয়াট টিডিপিতে অপারট করলেও পারফর্মেন্স বায়োস মোডে এই টিডিপি ৬০০ ওয়াট হয়ে যায়, পারফরমেন্স মোডে আরো অ্যাগ্রেসিভ ফ্যান কার্ভ ব্যাবহার হয়ে থাকে।
-
যেহেতু এই কার্ডটিকে পাওয়ার দিতে হলে 12 VHPWR কানেক্টর ইউজ করতে হচ্ছে, সেহেতু ১০০০ ওয়াট পাওয়ার সাপ্লাই রিকোমেন্ডেড।
আর্কিটেকচার
NVIDIA তাদের 50 সিরিজে Blackwell আর্কিটেকচার ইউজ করেছে। Blackwell আর্কিটেকচার নিয়ে বিস্তারিত জানতে হলে NVIDIA-এর এসম্পর্কিত White Paper কিংবা যেকোন জার্নাল আর্টিকেল পড়তে পারে। তবে এক্ষেত্র এই কার্ডের কিছু পয়েন্ট উল্লেখ না করলেই নয়-
-
ব্ল্যাকওয়েল আর্কিটেকচারে নিউরাল রেন্ডারিং ইন্ট্রোডিউস করা হয়েছে, যা জেনারেটিভ এআই দিয়ে একটি ফ্রেমের কিছু অংশ রেন্ডার করতে সক্ষম, যা ডিএলএসএস এর এআই থেকে ডিফারেন্ট।
-
RTX 5090-তে ৭৫০ মিমি স্কোয়ারের জিবি ২০২ ডাই ব্যাবহার করা হয়েছে যাতে এনভিডিইয়ার আগের জেনারেশনের তুলনায় ২০% বেশি ট্র্যান্সিস্টর এতে আছে।
-
এতে GDDR6 বা GDDR6X এর পরিবর্তে 512 bit বাস উইথের GDDR7 ব্যাবহার করা হয়েছে,
-
অভারওল রেন্ডারিং, প্রসেসিং, এসএম হ্যান্ডলিং, ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়ে আরো ইফিশিয়েন্সি আনা হয়েছে নিউরাল শেডারের সাহায্যে।
-
ডিসপ্লে ইঞ্জিন আপডেট করে লেটেস্ট স্ট্যান্ডার্ডে আপগ্রেড করা হয়েছে, পাশাপাশি এনভিডেক এবং এনভেঙ্কের ক্যাপাবিলিটিস আপডেট করা হয়েছে, এইচ.২৬৪ ডিকোডিং পারফর্মেন্স প্রায় ডাবল হয়েছে।
-
নিউরাল রেন্ডারিং এর সাহায্যে নিউরাল নেটওয়ার্ক ট্রেইনিং এর মাধ্যমে রিয়াল টাইমে কিছু রেন্ডারিং ইফেক্টস ডাইন্যামিক্যালি ক্যাশ করার ব্যাবস্থা আছে যা আরো অ্যাকুরেট গ্রাফিক্স প্রেসেন্টে হেল্প করেছে।
-
ডিএলএসএস ফোর এর আগের জেনারেশনের চেয়ে বেটার আপ্সকেলিং প্রোভাইড করছে,
-
এমএফজি বা মাল্টি ফ্রেম জেনারেশন এখন আগে যেখানে ২টি ফ্রেমের মাঝে একটি ফেইক ফ্রেম জেনারেট করতো, সেখানে এখন আপ টু চারটি ফ্রেম জেনারেট করার সুযোগ রয়েছে।
-
রিফ্লেক্স টু ইনপুট ল্যাটেন্সির ইস্যু আরো বেটার হ্যান্ডল করার চেষ্টা করছে, বিশেষ করে যেখানে ফ্রেম জেনারেশন থেকে ইনপুট ল্যাটেন্সির ইস্যুটি ডিল করার পাশাপাশি ফ্রেম ওয়ারপের মাধ্যমে এনভিডিইয়া দাবি করছে যে তারা আপ টু ৭৫% ল্যাটেন্সি রিডিউস করতে সক্ষম হয়েছে।
টেস্ট সিস্টেম স্পেকস
নিচের ইমেজে টেস্ট সিস্টেমের স্পেকসগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

Testing Methodology:
কার্ডের টেস্টিং মেথডোলোজি খুব কমপ্লেক্স বা রকেট সায়েন্স নয়।
-
প্রতিটি সিনথেটিক এবং গেমিং টেস্টগুলো তিন থেকে পাঁচবার রান করে সেটির অ্যাভারেজ আপনাদের সামনে প্রেসেন্ট করা হয়েছে,
-
যেইসব গেমে বিল্ট ইন বেঞ্চমার্ক আছে সেইসব গেমের রেসাল্ট মিনিমাম, অ্যাভারেজ এবং ম্যাক্সিমাম এফপিএস দিয়ে দেখানো হয়েছে,
-
যেসব গেমে বিল্টিন বেঞ্চমার্ক নেই সেইসব ক্ষেত্রে আমরা একটি কাস্টম বেঞ্চমার্ক পাস ব্যাবহার করেছি এবং এই রেসাল্টগুলো ওয়ান পারসেন্ট, পয়েন্ট ওয়ান পারসেন্ট, এবং অ্যাভারেজ এফপিএস দিয়ে চার্টে দেয়া হয়েছে।
এই higher-end কার্ডটির টার্গেট রেজোলিউশান ফোরকে কিংবা তারও বেশী। এদের বেশিরভাগই যদি গেমের রে ট্রেসিং সাপোর্ট থেকে থাকে তাহলে ফোরকে রেজোলিউশানে রে টেসিং প্লাস ডিএলএসএস কোয়ালিটি এনাবল করে রেকর্ড করা হয়েছে, যা থেকে আপনারা পারফর্মেন্স ফিগারগুলো রিয়াল টাইমে এক্সপেরিয়েন্স করতে পারবেন।
যেহেতু Sumprime SOC কার্ডটি এয়ার কুলড MSI গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর মাঝে সবচেয়ে প্রিমিয়াম গ্রাফিক্স কার্ড, কার্ডটিকে যতটা পুশ করা সম্ভব ততটাই পুশ করা হয়েছে, একারণে অনেক টেস্টিং চার্টে অন্যান্য গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর সাথে এটির কোন প্রকার কম্প্যারিজন ডাটা নেই কারণ অন্যান্য কার্ডগুলোর জন্য সেম গ্রাফিক্স প্রিসেট একটু অভারলোড হয়ে যায়, যেমন: Black Myth: Wukond গেমটি টেস্ট করি ভেরি হাই কোয়ালিটিতে, কিন্তু মেইন্সট্রিম ডেস্কটপ সেগ্মেন্টের সবচেয়ে পাওয়ারফুল জিপিইউটিকে টেস্ট করার জন্য সিনেম্যাটিক প্রিসেটটি বেছে নিয়েছি।
ইন গেম ফুটেজ এনভিডিইয়া অ্যাপ দিয়ে ৯০ এমবিপিএস বিটরেইটে রেকর্ড করা, যার কারণে ফুটেজে সামান্য একটু পারফর্মেন্স পেনাল্টি আছে। তবে চার্টের রেজাল্ট সকল প্রকার পারফরমেন্স ওভারহেড থেকে মুক্ত।
Adobe Premier Test:

অ্যাডোবি প্রিমিয়ার টেস্টিং-এর ক্ষেত্রে তিনটি ডিফারেন্ট ডিভাইস থেকে নেওয়া ফুটেজ টাইমলাইনের প্লেব্যাক করে এর নাম্বার অফ ড্রপড ফ্রেমস কাউন্ট করা হয়েছে এবং একটি সিম্পল প্রজেক্ট ক্রিয়েট করে তা রেন্ডার দিয়ে এক্সপোর্ট টাইমে নেওয়া হয়েছে।
-
সনি এফএক্স ৬৩০ এর ফোরকে ফুটেজ প্লেব্যাকে এমএসআই আরটিএক্স ৫০৯০ সুপ্রিম কোন প্রকার ফ্রেম ড্রপ করে নাই।
-
আইফোনে রেকর্ড করা ফোরকে ফুটেজ প্লেব্যাক টেস্ট করেছি, এই টেস্টেও কোন ফ্রেম ড্রপ হয়নি
-
লুমিক্স জিএইচ ফাইভ এসের ফোরকে ফুটেজ প্লেব্যাকেও কোন প্রকার ফ্রেম ড্রপ পাওয়া যায়নি
-
ব্ল্যাকম্যাজিকের ফোরকে ফুটেজ প্লেব্যাকে আমরা মাত্র ১টি ফ্রেম ড্রপ পাই, যা ছবিতে আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন
এবারে প্রোজেক্ট এক্সপোর্টের পালা, টেস্ট প্রজেক্টটি আমাদের টেস্ট সিস্টেমে RTX 5090 দিয়ে কনফিগারড থাকা অবস্থায় এক্সপোর্টে টাইম লেগেছে ০৪ঃ১২ সেকেন্ড, কয়েকবার রিটেস্ট করার পর এই টাইমটি কমে ০৪ঃ০৬ সেকেন্ডে নেমে আসে, সকল প্রকার ক্যাশিং ফেলে দেয়ার পরেও এই রেন্ডার টাইম আমরা পাই। কোন এক অজানা কারণে আরটিএক্স ৫০৯০ এখানে আরটিএক্স ৫০৭০ টিআই থেকেও বেশি সময় নিচ্ছে এই প্রজেক্ট এক্সপোর্ট করতে; ধারনা করছি এটা একটা ড্রাইভার ইস্যু।
Fire Strike Ultra 4k
Fire Strike Ultra 4k রেজোলিউশানের খুব ইন্টেন্সিভ বেঞ্চমার্ক বলেই এটাকে এই গ্রাফিক্স কার্ডটির জন্য কন্সিডার করা হয়েছে। RTX 5090 Suprim SOC স্কোরের দিক থেকে প্রায় ৩০ হাজার ৪০০ পয়েন্টস নিয়ে এখানে বেশ বড় ব্যাবধানে এগিয়ে, এটা না হলেই বরং অবাক হতে হতো

Fire Strike Ultra GT One-এ MSI Suprim ডাবোল সেঞ্চুরি হাকিয়েছে। জিটি ওয়ানেও একটা সেঞ্চুরি করে ফেললো। এখানে থাকা অন্যান্য কার্ডগুলোর চেয়ে এই কার্ডের পারফর্মেন্স প্রায় ডাবল, অবশ্য প্রাইসিংয়ের দিক থেকে আবার এই কার্ডটি চার্টে থাকা অন্যান্য কার্ডগুলোর চেয়েও অনেক বেশি

Port Royal

Port Royal একটি Ray Tracing বেঞ্চমার্ক; Ray Tracing-এ বলতে গেলে এনভিডিইয়ার জয়জয়কার। একটা আরটিএক্স ৫০৭০ টিআই এর স্কোরের প্রায় ডাবল স্কোর করে বসা আরটিএক্স ৫০৯০ সুপ্রিমের সুপ্রিম রেসাল্টস খুব একটা অবাক করলো না, প্রায় ৩৮,৮০০ স্কোর করে এমএসআই আরটিএক্স ৫০৯০ সুপ্রিম এখন সুপ্রিম লিডারই বটে।

এফপিএস ব্রেকডাউনে, অল্পের জন্য আরটিএক্স ৫০৯০ ১৮০ এফপিএস স্কোর করতে পারে নি।
Steel Nomad

Steel Nomad একটি DirectX 12 এবং Vulkan API বেসড রাস্টার গ্রাফিক্স বেঞ্চমার্ক; র্যাস্টার গ্রাফিক্স যদিও AMD গ্রাফিক্স কার্ডের স্ট্রেংথ, RTX 5090 এর র’ পারফর্মেন্সের সামনে আর কোন গ্রাফিক্স কার্ড দাড়াতেই পারলো না ১৪,৭২১ পয়েন্টস স্কোর করে ফার্স্ট প্লেইসে আছে RTX 5090, যা একটা RTX 5070ti এর স্কোরের দিগুনের চেয়েও বেশি

এফপিএস ব্রেকডাউনে আমরা দেখতে পাই স্টিল নোম্যাডের অভারোল স্কোরটাই এখানে রিফ্লেক্ট হচ্ছে
Speed Way

Speed Way একটি DirectX 12 Ultimate ফিচারসেটের বেঞ্চমার্ক, এই বেঞ্চমার্কটা আবার বরাবরই NVIDIA দখলে, তেলা মাথায় তেল ঢালোর মতো করে এই খেত্রেও প্রায় ১৫ হাজার ২৫০ স্কোর করে RTX 5090

Time Spy Extreme
DirectX 12-এর প্রথম সারির সিন্থেটিক বেঞ্চমার্কের একটি হচ্ছে 3D Mark Time Spy Extreme, এটির বেস রেজোলিউশান হচ্ছে ১৪৪০পি এবং এটি রিলিজের টাইমে বেশ ইন্টেন্সিভ একটি বেঞ্চমার্ক হিসেবে পরিচিত ছিলো, Time Spy Extreme টেস্টটি ফোরকে রেজোলিউশানে রেন্ডার হয়, এবং এতে টাইম স্পাইয়ের তুলনায় ইফেক্টসগুলোকে আরো র্যাম্প আপ করা হয় যার ফলে জিপিইউ আরো বেটার ওয়ার্কআউট পায়, সেই সাথে এফপিএসের সংখ্যাও কমে যায়।

স্কোরকার্ডের দিকে তাকালে আপাতদৃষ্টিতে এমএসআই এর MSI RTX 5090 Suprime কার্ডটি স্কোরের দিক থেকে তেমন বড়সড় লিড পায়নি মনে হলেও গ্রাফিক্স স্কোরটি দেখে ছাই চাপা আগুনের মতো কিছু একটা আঁচ করা যাচ্ছে, এটা আরো ক্লিয়ার হবে এফপিএস ব্রেকডাউন দেখলে।

এফপিএস ব্রেকডাউন থেকে সহজেই বুঝা যাচ্ছে, যে টাইম স্পাই এক্সট্রিমে প্রতি ১০০০ পয়েন্টস স্কোর অ্যাকচুয়াল এফপিএসে ২০ এফপিএসের মতো কিছু একটাতে ট্রান্সলেট হয়, কারণ MSI RTX 5090 Suprime SOC, এখানে রীতিমতো একটি কান্ট্রি মাইল লিড নিয়ে এগিয়ে আছে।
এই সিন্থেটিক বেঞ্চমার্ক রেসাল্টসগুলো থেকে একটা গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে, এটা হয়তো সবসময় সব গেমের পারফর্মেন্স রিপ্রেসেন্ট করবে না, গেমের ইঞ্জিন, ওয়ার্কলোড, ড্রাইভার অপ্টীমাইজেশন, স্পন্সরশীপ, ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ফাইনাল পারফর্মেন্স ডিপেন্ড করবে।
Alan Wake 2
Remedy Entertainment-এর সারভাইভাল হরর গেম Alan Wake 2-তে সম্প্রতি এনভিডিইয়ার ডিএলএসএস ফোর, ডিএলএসএস মাল্টি ফ্রেম জেনারেশন, আরটিএক্স মেগা জিওমেট্রির মতো কিছু ফিচার ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছে যা RTX 50 সিরিজ ও RTX 40 সিরিজের পারফরমেন্সে ভালো রকমের একটি ইম্প্যাক্ট ফেলে।
এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো যে এই গেমটি যখন নেটিভ রেজোলিউশানে চলে তখন ডিএলএসএস এর ক্ষেত্রে এটি ডিএলএএ ব্যাবহার করে, তবে এফএসআর টু সেইম ট্রিটমেন্ট পায় না; যার ফলে এফএসআর এর ইমেজ কোয়ালিটি একটু ইনফেরিয়র এবং এই দুইয়ের কম্প্যারিজন সেইম সেটিংসে হচ্ছে না।
আমরা এই গেমটি টেস্ট করেছি গেমটির শুরুর দিকে একটি বেশ গ্রাফিক্যালি ইন্টেন্সিভ লোকেশানে উদ্দেশ্যবিহীনভাবে কিছুটা ছুটাছুটি করার মাদ্ধমে, তো আমরা এবার সরাসরি চলে যাচ্ছি হাই সেটিংসে কোন প্রকার রে ট্রেসিং এনাবল না করে নেটিভ ফোরকে রেজোলিউশানের রেসাল্টসে।

4K রেজোলিউশানে অ্যাভারেজে প্রায় ৭৩ এফপিএস ম্যানেজ করছে RTX 5090 Suprim, ৫৪ এফপিএস ওয়ান পারসেন্ট ফ্রেমরেট যথেষ্ট সিঙ্গেল প্লেয়ার গেমের জন্য।

Ultra Ray Tracing প্রিসেটে ডিএলএসএস কোয়ালিটি এনাবল করে 4K আপস্কেলড রেসাল্টসে আর কোন কার্ড টেস্ট করা হয়নি বিধায় এখানে RTX 5090 ফাঁকা মাঠেই গোল দিচ্ছে, অ্যাভারেজে আমরা এখানে প্রায় ৫৫ এফপিএস দেখতে পাচ্ছি, ওয়ান পারসেন্ট এবং পয়েন্ট ওয়ান পারসেন্ট এফপিএসও বেশ কাছাকাছি রেজাল্ট দেখাচ্ছে। তবে কন্সিস্ট্যান্ট 60 FPS বা তার চেয়ে বেশি FPS মেইন্ট্যাইন করতে হলে আপনাকে হয়তো ডিএলএসএস ব্যালান্সড প্রিসেট ব্যাবহার করতে হবে কিংবা হাই রে ট্রেসিং প্রিসেট ব্যাবহার করতে হবে আলট্রা’র বদলে।
Black Myth: Wukong
Action RPG জগতে AAA গেমিংয়ে বেশ সাড়া জাগানো একটি টাইটেল হচ্ছে Black Myth: Wukong। Unreal Engien 5-এ ডেভেলপ করা এই টাইটেল্টির ডেডিকেটেড বেঞ্চমার্ক টুলটি দিয়ে 4K রেজোলিউশানে সিনেম্যাটিক প্রিসেটে RT অফ করে এবং সেইম প্রিসেটে ভেরি হাই RT এনাবল করে টেস্ট করেছি।

সিনেম্যাটিক প্রিসেটে ফোরকে রেজোলিউশানেও RTX 5090 Suprim অ্যাভারেজে ৬৬ এফপিএস অ্যাচিভ করছে; যেটাকে একটা thumbs up দেওয়াই যায়।

এবার দেখা যাক এই প্রিসেটে Ray Tracing এনাবল করলে কি হয়। Ray Tracing এনাবল করতেই এফপিএস অর্ধেক হয়ে গেলো, আমরা খুব সহজেই এখানে ডিএলএসএস কোয়ালিটি প্রিসেটের সমান রেজোলিউশান পারসেন্টেজ স্কেলিং ব্যাবহার করতে পারি, যা পারফর্মেন্সে ড্র্যাস্টিক ইম্প্রুভমেন্টস আনতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি সিক্সটি এফপিএস চান সিনেম্যাটিক আরটি প্রিসেটে।
Cyberpunk 2077
গ্রাফিক্স কার্ড বেঞ্চমার্ক হবে কিন্তু সাইবারপাঙ্ক থাকবে না তা হতে পারে না
সাইবারপাঙ্ক ২০৭৭ রে ট্রেসিং, পাথ ট্রেসি, ডিএলএসএস এবং ফ্রেম জেনারেশন টেকনোলোজি শো কেসিং এর জন্য এনভিডিইয়া’র ব্র্যান্ডের পোস্টার চাইল্ড
ইন গেম আল্ট্রা গ্রাফিক্স সেটিংস সেট করে নতুন ডিএলএসএস ট্র্যান্সফরমার মডেল্টি সিলেক্ট করে ডিএলএএ বা ডিপ লার্নি এএ সেট করে আমরা গেমটি টেস্ট করেছি ইন গেম বেঞ্চমার্কটি সামান্য মড করে, চলুন দেখে নেই রেসাল্টসগুলো।

নেটিভ ফোরকে তে ডিএলএএ এনাবল করার পরেও অ্যাভারেজে ৬৭ এফপিএসকে কোনভাবেই খারাপ স্কোর বলা যাবে না,

Ultra RT এনাবল করার পরেও ডিএলএসএস সহকারে প্রায় ১০০ অ্যাভারেজ এফপিএসের কাছাকাছি রেসাল্টস খুবই ভালো বলতে হবে, কম্প্যারিজনের জন্য এখানে আরটিএক্স ৫০৭০ টিআই কার্ডটির ডাটাও আছে, যদিও ৫০৭০ টিআই সেইম প্রাইস ব্র্যাকেট বা ক্যাটাগরিতে বিলং করে না।
Dying Light 2
পোলিশ ডেভেলপার টেক্ল্যান্ডের ফাস্ট পেসড পার্কর এবং অ্যাকশন গেম ডাইয়িং লাইট টু এর রিলিজের সময় রে ট্রেসিং এর শো কেসের জন্য বেশ ভালো একটা এক্স্যাম্পল ছিলো, এই গেমটি র্যাস্টার এবং হাই কোয়ালিটি রে ট্রেসিং এই দুই সেটিংয়েই টেস্ট করেছি এর build in বেঞ্চমার্কটি দিয়ে।
Ray Tracing High কোয়ালিটি প্রিসেটের নেটিভ ফোরকে রেসাল্টসে অ্যাভারেজে প্রায় ১৮০ এফপিএসের মতো স্কোর করেছে MSI RTX 5090 Suprime SOC কার্ডটি। এবারে দেখা যাক রে হাই কোয়ালিটি রে ট্রেসিং এনাবল করার পরেও এই কার্ডটি এই লেভেলের পারফর্মেন্স ধরে রাখতে পারে কিনা।

নেটিভ রেজোলিউশানে রে ট্রেসিং এনাবল করে ফোরকেতে প্রায় 95 FPS অ্যাভারেজ করতে পারা বেশ বড়সর একটা অ্যাচিভমেন্ট।
Horizon Forbidden West
এক সময়ের প্লে স্টেশন এক্সক্লুসিভ হরাইজন ফরবিডেন ওয়েস্টের পিসি পোর্টটি বেশ ওয়েল অপ্টিমাইজড অবস্থায় পিসিতে রিলিজ পায়। অত্যন্ত ভাইব্রেন্ট এবং কালারফুল এনভায়রন্মেন্টের এই অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার গেমটির শুরুর দিকে অ্যালয়কে নিয়ে কিছুটা উদ্দেশ্যবিহীনভাবে দৌড়াদৌড়ি করার মাদ্ধমে আমাদের বেঞ্চমার্ক ডাটাটি রেকর্ড করা হয়েছে, আমরা গেমের সব কিছু ম্যাক্সড আউট করে টিএএ এনাবল করে কোন প্রকার আপ্সকেলিং ছাড়াই এই গেমটি টেস্ট করেছি।
ফোরকে রেজোলিউশানেও এই টাইটেলটি RTX 5090 Suprim কার্ডে অ্যাভারেজে ১২৪ এফপিএস আউটপুট দিচ্ছে, এবং আরটিএক্স ৫০৯০ এর এই বাঁধভাঙ্গা পারফর্মেন্স পাল্লা দিতে পারবে স্রেফ আরেকটি RTX 5090 যেটা ওয়াটারকুলড এবং হাইয়ার ক্লকড।
Metro Exodus PC Enhanced Edition
মেট্রো এক্সোডাস গেমটির সাথে আশা করি নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার প্রয়োজন হবে না, এই গেমটির একটি ডেডিকেটেড রে ট্রেসিং ভার্সন হচ্ছে এর এনহ্যান্সড এডিশন, আপনার গ্রাফিক্স কার্ডে রে ট্রেসিং সাপোর্ট না থাকলে এই গেমটি আপনি রান করতে পারবেন না, আমরা এই গেমটি টেস্ট করেছি এর সাথে আসা বেঞ্চমার্ক টুল দিয়ে এক্সট্রিম প্রিসেট দিয়ে।

খুব সামান্যর জন্য Suprim SOC এইখানে ১০০ অ্যাভারেজ এফপিএস অ্যাচিভ করতে পারলো না, তবে ফোরকে রেজোলিউশানে ৯৯ এফপিএস মোটেও হাল্কা করে দেখার মতো পারফর্মেন্স না, মিনিমাম এফপিএস ও বেশ সলিড।
Returnal
এক সময়ের প্লে স্টেশনের এক্সক্লুসিভ টাইটেল রিটার্নাল গেমটি সমসময়য়ের পিসি পোর্টগুলোর চেয়ে একটু ভালো অবস্থায় পিসিতে রিলিজ হয়েছিলো, এই গেমটিতে আমরা সাধারণত এফপিএসের বন্যা দেখে থাকি, এই জন্য আমরা নন রে ট্রেসড এবং রে ট্রেসড এই দুই সেটিংসেই গেমটিকে সরাসরি ফোরকে রেজোলিউশানে টেস্ট করেছি এর ইন গেম বেঞ্চমার্কটি দিয়ে।

Non Ray Tracing-এ 4k রেজোলিউশানেও ১৪৪ এফপিএস অ্যাভারেজ করতে পারা চাট্টিখানি কথা নয়, তবে মার্কেটের সেরা জিপিইউটি থেকে এর চেয়ে কম কিছু পেলেই মনে হয় হতাশ হতে হতো।

এবারে Epic Ray Tracing সেটিংসে নেটিভ ফোরকে রেজোলিউশানের রেসাল্টসের পালা। Epic Ray Tracing এনাবল করার পরেও আরটিএক্স ৫০৯০ সুপ্রিম অনেকটা বুক ফুলিয়ে অ্যাভারেজে ১১৫ এফপিএস স্কোর করেছে, এই কার্ডের মিনিমাম এফপিএস চার্টে থাকা অন্যান্য কিছু কার্ডের অ্যাভারেজ ফ্রেমরেটের সমান।
The Last of Us

১২৭ এফপিএসের অ্যাভারেজ ফোরকে রেজোলিউশানে মারাত্মক ব্যাপার, MSI RTX 5090 Suprime SOC’র ওয়ান পারসেন্ট লো RTX 4080 এর অ্যাভারেজ ফ্রেমরেইটকে ম্যাচ করে, এটা থেকে আরটিএক্স ৫০৯০ সুপ্রিম যে বিস্টলি একটা কার্ড তার প্রমাণ পাওয়া যায়।
ক্লক স্পিড
আমাদের আজকের টেস্টেড কার্ডগুলোর ক্লক স্পিড বিহেভিয়ার সম্পূর্ণই নির্ভর করবে আপনি কেমন রেজোলিউশানে কি ধরণের ওয়ার্কলোড দিচ্ছেন, টেম্পারেচার এবং কুলিং এর পাশাপাশি এদের বোর্ডের পাওয়ার লিমিটের মতো কিছু ভ্যারিয়েবলস এর উপরে,
- এ MSI RTX 5090 Suprime SOC কার্ডটি নন রে ট্রেসিং ওয়ার্কলোডে যেমন হোরাইজন ফরবিডেন ওয়েস্টে আমরা ২৯১০ মেগাহার্জের মতো অ্যাভারেজ ক্লক স্পিড দেখেছি, অ্যাভারেজে ৫৫০ ওয়াটের মতো পাওয়ার ড্র আমার দেখেছি।
- মেট্রো এক্সোডাস এনহ্যান্সড এডিশনের মতো রে ট্রেসড ওয়ার্কলোডে আমরা ২৭৫০ মেগাহার্জ থেকে ২৮৫০ মেগাহার্জ রেইঞ্জে ক্লক স্পিড উঠানামা করতে দেখেছি
উল্লেখ্য, এই ফিগারগুলো নেটিভ ফোরকে রেজোলিউশানের জন্য প্রযোজ্য, রেজোলিউশান আরো কম বা বেশি হলে বা ডিফারেন্ট ওয়ার্কলোড হলে এই ফিগারগুলোতে খুব সহজেই পরিবর্তন হতে পারে।
টেম্পারেচার, ফ্যান নয়েজ এবং পাওয়ার ড্র
এই ভিডিওতে টেস্ট করা গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর টেম্পারেচার রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এয়ার কন্ডিশন্ড এনভায়রন্মেন্টে। আমাদের গেমিং ওয়ার্কলোড সিমুলেট করার জন্য আমরা ব্যাবহার করেছি থ্রিডিমার্ক স্টিল নোম্যড স্ট্রেস টেস্ট।
NVIDIA তাদের ইনফিনিট উইজডোমে সিরিজের কার্ডগুলোতে কোন প্রকার হটস্পট রিডিং মেসার করতে দিচ্ছে না, যেটা খুবই ফ্রাস্ট্রেটিং, ডিজাপয়েন্টিং এবং একই সাথে কিছুটা সন্দেহজনক ও বটে, কাজেই আমাদের রিভিউ উনিটটিতে কোন প্রকার হটস্পট মেসারমেন্ট থাকছে না, তবে ভিডিও মেমোরি টেম্পারেচার এবং জিপিইউ টেম্পারেচার রিডিং এর ডাটা অ্যাভেইলেবল।
- আমরা কার্ডটিতে আইডল টেম্পারেচার রেকর্ড করেছি লোয়েস্ট ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হাইয়েস্ট রিপোর্টেড টেম্পারেচার প্রায় ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। কার্ডটির ভিডিও মেমোরি টেম্পারেচার ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মতো। হটস্পট টেম্পারেচারের অ্যাবসেন্স বাড দিলে একটা ৬০০ ওয়াট প্লাস টিডিপি ওয়ালা কার্ডের টেম্পারেচার হিসেবে এই ফিগারগুলো দারুণ বলতে হচ্ছে।
- ফ্যান নয়েজ ছিলো না বললেই চলে, হাইয়েস্ট ৪৮% ফ্যান স্পিডে আমরা ১৭৩০ আরপিএম রেকর্ড করেছি, আরো একটু পাওয়ার সেভিং এবং সাইলেন্ট অপারেশন যদি আপনার প্রিফারেন্স হয়, ডিফল্ট সাইলেন্ট বায়োসটি আপনারা চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন।
পাওয়ার ড্র এর কথা বলতে গেলে আমরা প্রায়ই কার্ডটিকে ৬০০ ওয়াটের কিছু বেশি পাওয়ার ড্র করতে দেখেছি, সফটওয়্যার অন্তত তাই বলছে, তবে পাওয়ার ক্যাবলটি কার্ডটি লোডেড থাকা অবস্থায় হাত দিয়ে ধরলে কিছুটা গরম টের পাওয়া যায়, তবে সেটা ৫০ থেকে ৬০ ডিগ্রীর বেশি হবে না বলেই ধারণা।
আরেকটি বিষয় না বললেই নয়, এই কার্ডটি থেকে কম বেশি কয়েল হোয়াইনের নয়েজ পাওয়া গিয়েছে এবং এটাই এখনকার কার্ডগুলোর জন্য এক্সপেক্টেড বিহেভিয়ার, এই কার্ডগুলো অনায়াসে গেম খেলার সময় ৫০০ থেকে ৬০০ ওয়াট বা তারো বেশি পাওয়ার কন্স্যুম করে, সেই সাথে খুব হাই লেভেলের ফ্রেইম্রেট ও পুশ করে থাকে, আপনার সিস্টেমে এরকম পাওয়ার ড্র করা কম্পোনেন্ট থেকে কয়েল হোয়াইন বা সামান্য একটু নয়েজ না আসলেই বরং সেটি একটি অবাক করার মতো বিষয় ছিলো।
মতামত – দ্যা ভারডিক্ট
এয়ার কুল্ড গ্রাফিক্স কার্ডের মার্কেটে এমএসআই এর আরটিএক্স MSI RTX 5090 Suprime SOC 32GB গ্রাফিক্স কার্ডটি আগাগোড়া একটি প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট, তো এই কার্ডটি কাদের জন্য? যারা গেমিং অথবা প্রফেশনাল ওয়ার্কলোড কিংবা এআই এর জন্য বাজারে থাকা বেস্ট মেইন্সট্রিম ডেস্কটপ গ্রাফিক্স কার্ডটি বেছে নিতে চান। যারা অলরেডি আরটিএক্স ৪০৯০ চালাচ্ছেন তাদের এখুনি আপগ্রেড করার প্রয়োজন দেখছি না, আনলেস আপনার জন্য 24 GB VRAM এনাফ না, সেক্ষেত্রে RTX 5090 তে থাকা ৩২ জিবি হয়তো আপনার উপকারে আসতে পারে।




