27 C
Dhaka
Friday, December 9, 2022

ল্যাপটপ কেনার আগে যে সকল বিষয় মাথায় রাখবেন!

- Advertisement -

বর্তমানে ডেক্সটপ কম্পিউটারের থেকে ল্যাপটপ কম্পিউটারের চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা বেশি। বিদেশে ম্যাকবুক আর আমাদের দেখে বাজেট ল্যাপটপগুলো বেশ জনপ্রিয়। যদিও ডেক্সটপ কম্পিউটারের তুলনায় ল্যাপটপে কম্পিউটিং প্রসেসিং পাওয়ার কম দেওয়া থাকে তবুও ডেক্সটপের থেকে ল্যাপটপের ব্যবহার বেশি। কারণ কি? কারণ হচ্ছে ল্যাপটপের পোর্টেবিলিটি। আপনি চাইলেই ল্যাপটপকে যেভাবে খুশি সেভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন কম্পিউটার টেবিলে বসে স্ট্রিমিং করছেন, অনেকক্ষণ করতে করতে পিঠ ব্যাথা হয়ে গেলে আপনি ল্যাপটপটি নিয়ে সোফায় বসে বসে কোলের উপর রেখে স্ট্রিমিং চালিয়ে যেতে পারবেন। এমন কি ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো থাকলে সরাসরি বিছানায় নিয়ে গিয়েও স্ট্রিমিং চালিয়ে যেতে পারবেন যেগুলো আপনি ডেক্সটপ কম্পিউটারে করতে পারবেন না।

আর তাই অনেকেই ডেক্সটপ না নিয়ে ল্যাপটপের দিকে ঝুঁকে থাকেন। আর ল্যাপটপ কিনতে গিয়ে অনেকেই অনেক ভূল করে থাকেন। যার মাসূল আপনাকেই দিতে হয়। তবে আশা করবো আজকের পোষ্টটি ভালো মতো বুঝে পড়তে পারলে ভবিষ্যৎতে ল্যাপটপ কিনতে গিয়ে আর কোনো ভূল আপনি করবেন না।

- Advertisement -

বি:দ্র: এটা কিন্তু ল্যাপটপ বায়িং গাইড নয়। কিংবা এই পোষ্টটিকে ল্যাপটপ বায়িং গাইড হিসেবে নিলে আপনি ভূল করবেন। এই পোষ্টটি ল্যাপটপ বায়িং গাইড নয় বরং এই পোষ্টটি ল্যাপটপ কেনার সময় “সহায়িকা” হিসেবে ধরতে পারেন।

ল্যাপটপ কেনার সময় যা যা মনে রাখবেন

১) আপনার উদ্দেশ্য

ল্যাপটপ হচ্ছে অনেকটাই বর্তমানের স্মার্টফোনের মতো; শুধুমাত্র স্মার্টফোনের থেকে বহুগুণে পাওয়ারফুল মাত্র। স্মার্টফোন যেমন একবার কেনার পর অনেক সময় ধরে ব্যবহার করবেন এবং স্মার্টফোন কেনার পর এর র‌্যাম, প্রসেসর, GPU ইত্যাদি পাল্টাতে / আপগ্রেড করতে পারবেন না ঠিক তেমনি ভাবে “অধিকাংশ” ল্যাপটপগুলোতে আপনি র‌্যাম, প্রসেসর, গ্রাফিক্স ইত্যাদি পাল্টাতে / আপগ্রেড করতে পারবেন না। আর স্মার্টফোনের মতোই একটি ল্যাপটপ আপনাকে অনেক দিন ধরেই ব্যবহার করতে হবে। বাজেট ল্যাপটপগুলোও বেশি প্রেসার না দিলে ৪/৫ বছর এমনিতেই পার করা যায়।

- Advertisement -


তাই ল্যাপটপ কেনার আগে আপনার উদ্দেশ্য ঠিক করুন। আপনি আসলে “কি উদ্দেশ্য হাসিল” করার জন্যে ল্যাপটপ কিনছেন সেটা জানুন। যেমন আপনি শুধুমাত্র মাইক্রোসফট অফিসে ডকুমেন্ট এডিট, টুকটাক গান শোনা, ইউটিউব দেখা, সোশাল মিডিয়া চেকিং কিংবা নেটফ্লিক্স উপভোগ – এই সব কাজের উদ্দেশ্যে আপনার কখনো একটি ম্যাকবুক কিংবা দামি গেমিং ল্যাপটপের কোনো প্রয়োজন নেই। একই ভাবে একটি পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর ল্যাপটপে আপনি ভিডিও এডিটিং, ডাটা মাইনিং কিংবা গেমিংয়ের জন্য নিতে পারবেন না!

তবে আপনার উদ্দেশ্য আর যাই হোক, হেভি ইউসেজ, গেমিং, ভিডিও এডিটিং এগুলো হলে ল্যাপটপের থেকে ডেক্সটপ নেওয়া আপনার জন্য উত্তম হবে। কারণ একই কনফিগারেশনের পিসি আর ল্যাপটপের মধ্যে পারফরমেন্সের অনেক পার্থক্য রয়েছে।

২) আপনার বাজেট!

- Advertisement -

বর্তমানে ২০২০ সালে এসে আপনি সকল রেঞ্জেই ভালো ল্যাপটপ পাবেন! ঠিক স্মার্টফোনের মতোই, যেমন এখন আপনি ১০ হাজার টাকায়ও ভালো ভালো বাজেট হ্যান্ডসেট পাবেন ঠিক তেমনিই! ২০ হাজার টাকাও আপনি ভালো বাজেট ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন। তবে বাজেট অনুসারে ল্যাপটপের হার্ডওয়ার পারফরমেন্স, বাহ্যিক কোয়ালিটি এবং ফিচারগুলো উঠা – নামা করবে। তবে বাজেট যথাসাধ্য বেশি রাখার চেষ্টা করবেন তবে মাত্রাতিরিক্ত রাখা উচিত নয়। তবে মানান সই বাজেট রেখে দিবেন যাতে এই ল্যাপটপ দিয়ে আগামী ২/৩ বছর ভালোমতো ব্যবহার করা যায়।

৩) ব্র্যান্ড!

নতুন ল্যাপটপ কিনেন কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনতে যান, আপনাকে সবার আগে ল্যাপটপের যে বিষয়টি দেখতে হবে কিংবা যে বিষয়টি আপনি চেক করবেন সেটা হলো ল্যাপটপের Brand । কারণ ডেক্সটপে আপনি হার্ডওয়্যারগুলো এক একটা এক এক কোম্পানির দিয়ে বিল্ড করতে পারবেন। কিন্তু ল্যাপটপে আপনাকে সকল হার্ডওয়্যারগুলোকেই একটি কোম্পানির বা একটি ব্র্যান্ডের কিনতে হবে । তাই ল্যাপটপ কেনার আগে কোন ব্র্যান্ডের কিনবেন সেটা ঠিক করে নিন।

ল্যাপটপ কেনার সময় ব্র্যান্ড না চিনলে আপনি অনেক জায়গায় ধরা খেতে পারেন। বিক্রেতা আপনাকে ভালো ব্র্যান্ড বলে কয়ে আপনাকে একটি চায়নিজ নতুন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ ধরিয়ে দিতে পারে! আবার ব্র্যান্ডের রয়েছে নিজস্ব আলাদা ইউনিক বৈশিষ্ট্যতা! যেমন অ্যাপল এর ল্যাপটপগুলো যারা একবার ব্যবহার করে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে তাদের কাছে অন্য ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ তেমন ভালো লাগবে না। যেমনটি আইফোন ইউজাররা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারের সময় স্বাদ পেয়ে থাকেন। তবে বাজেট ভিক্তিক ল্যাপটপ কিনতে চাইলে আপনি আসুস, এসার, লেনেভো দেখতে পারেন। মিডরেঞ্জে আমি HP, Dell আর হাই রেঞ্জ হলে ROG কিংবা ম্যাক ওএস চালাতে পারলে আমি অ্যাপল ম্যাকবুক সাজেস্ট করবো।

৪) স্ক্রিণ সাইজ, ওজন এবং পোর্টেবিলিটি

আপনার উদ্দেশ্য, বাজেট এবং ব্র্যান্ড নির্বাচন করা হয়ে গেলে এবার আপনাকে ল্যাপটপের স্ক্রিণ সাইজ, ওজন এবং পোর্টেবিলিটি দেখতে হবে। আর স্ক্রিণ সাইজের উপরেই মূলত ল্যাপটপটি ব্যবহারের উদ্দেশ্য বোঝা যায়। আপনার কাজের ধরণ আর প্রয়োজনের উপরে ল্যাপটপের স্ক্রিণ সাইজ বেছে নিন। আর স্ক্রিণ সাইজ যত বড় হবে, ল্যাপটপের ওজন বাড়বে এবং একই সাথে পোর্টেবিলিটি কমতে থাকবে।
একজন সাংবাদিকের কথাই ভাবুন। সারাদিন / রাত্রে যখন তখন যেখানে সেখানে তাকে দৌড়ের উপর থাকতে হয়। এই রানিং মানুষের ল্যাপটপটির স্ক্রিণ সাইজ যদি ২০/২৫ ইঞ্চি হয় তাহলে তাকে কেমন বিপাকে পড়তে হবে আপনি নিজেই একবার ভেবে দেখুন।

তাই আপনি যদি বেশি ট্রাভেল করে থাকেন, তাই On-the-go এডিটিংয়ের জন্য ১৩ থেকে ১৫ ইঞ্চির ল্যাপটপগুলো আপনার জন্য সেরা হবে। তবে ১৫ ইঞ্চির বেশির দিকে গেলে সেটা বহন করাটা আপনাকে বেগ পোহাতে হবে। আর বাসায় বসে মিডিয়া কনজিউম করার উদ্দেশ্যে কিনলে সেখানে আবার ১৩ ইঞ্চির স্ক্রিণ আপনাকে তেমন সার্পোট করতে পারবে না, এক্ষেত্রে আপনি বড় সাইজের স্ক্রিণের দিকে যেতে পারেন।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে ল্যাপটপের ওজন! এখন টেকনোলজির উন্নতির কারণে বড় বড় স্ক্রিণের বড় বড় ল্যাপটপগুলোরও ওজন আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। আপনি ল্যাপটপ নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করার উদ্দেশ্যে কিনে থাকলে ওজনের দিকেও আপনার খেয়াল রাখতে হবে। তবে কম ওজনের কারণে ল্যাপটপের ব্যাটারি সাইজ সাধারণত কম হয়ে থাকে। আর ব্যাটারির ভালো ব্যাকআপ, বড় সাইজের স্ক্রিণ হবার পরেও যদি দেখেন যে ল্যাপটপটির ওজন কম তাহলে বুঝবেন যে এটা একটি ব্যায়বহুল ল্যাপটপের ফিচার!

৫) ট্রাডিশনাল কিংবা হাইব্রিড ল্যাপটপ!

বর্তমানে ল্যাপটপেও এসেছি বিভিন্ন বিভাগ! আর তাদের মধ্যে প্রধান দুটি বিভাগের ল্যাপটপ হচ্ছে টাডিশনাল ল্যাপটপ এবং আরেকটি হচ্ছে হাইব্রিড ল্যাপটপ। ট্রাডিশনাল ল্যাপটপ হচ্ছে নরমাল ল্যাপটপগুলো। আর হাইব্রিড ল্যাপটপ হচ্ছে সেগুলোর স্ক্রিণকে আপনি খুলে নিয়ে ট্যাবলেট পিসি বানিয়ে ফেলতে পারবেন! হাইব্রিড ল্যাপটপের সবথেকে সেরা উদাহরণ হচ্ছে Lenovo ব্র্যান্ডের YOGA সিরিজের ল্যাপটপগুলো! এক্ষেত্রে আপনার ব্যবহারের ধরণের উপর নির্ভর করবে আপনি YOGA টাইপের ল্যাপটপের প্রয়োজন রয়েছে কিনা!

৬) র‌্যাম বনাম প্রসেসর!

ল্যাপটপের হার্ডওয়্যারের প্রধান দুটি মূল উপদান হচ্ছে প্রসেসর এবং র‌্যাম। ল্যাপটপ কেনার আগে এই দুটি সেক্টরে আপনাকে অবশ্যই কয়েকবার ভাবতে হবে।

ক) প্রসেসর

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউকে আমরা সাধারণত প্রসেসর হিসেবে বলে থাকি। আর ল্যাপটপ সহ যেকোনো কম্পিউটিং ডিভাইসের মূল স্পিড, পারফরমেন্স এর দায়িত্ব থাকে এই প্রসেসরের উপর। তাই ল্যাপটপ কেনার আগে আপনাকে বাজেট অনুসারে সবথেকে ভালো প্রসেসরটিকেই সিলেক্ট করতে হবে। কারণ র‌্যাম, হার্ডডিক্স ইত্যাদি পরবর্তীতে আপনি আলাদাভাবে আপগ্রেড / যোগ করতে পারলেও প্রসেসরকে আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তাই আগামী ২/৩ বছরে আপনার কাজের উপযোগী একটি প্রসেসরযুক্ত স্পেসিফিকেশনের ল্যাপটপ বেছে নিন।

খ) র‌্যাম

Random Access Memory বা র‌্যাম হচ্ছে আপনার পিসির / ল্যাপটপের প্রোগ্রামের মূল প্রাণ! আপনি একই সাথে কতগুলো প্রোগ্রাম ব্যাকগ্রাউন্ডে চালাতে পারবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার র‌্যাম সাইজের উপর। তবে উল্লেখ্য যে, প্রসেসরের মতো এখানে পারফরমেন্স / স্পিডের উপর র‌্যাম সরাসরি প্রভাব রাখে না। একটি নিদির্ষ্ট স্ট্যার্ন্ডাডের নিচে র‌্যাম থাকলে পিসি স্লো পারফর্ম করবে আবার স্ট্যার্ন্ডারে উপরে গেলে পারফরমেন্স স্ট্যাবল হবে। তবে একটি ৮ গিগবাবাইট র‌্যামের ল্যাপটপ আর ১২ গিগাবাইট র‌্যামের ল্যাপটপে পারফরমেন্সর সেরকম কোনো ঘাটতি আপনি দেখতে পারবেন না।

৭) স্টোরেজ স্পেস

বর্তমানে দুধরণের স্টোরেজ স্পেস যুক্ত ল্যাপটপ পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে বড় সাইজ সমৃদ্ধ হার্ডডিক্স স্টোরেজ। আরেকটি হচ্ছে তুলনামূলক কম সাইজের SSD বা সলিড স্টেট ড্রাইভ স্টোরেজ। SSD গুলো সাইজে কম হলেও এর রিড/রাইট স্পিড হার্ডডিক্সের থেকে বহুগুণে বেশি হয়ে থাকে। বাজেট ল্যাপটপগুলোতে SSD সাধারণত দেওয়া থাকে না। তবে বাজেট ল্যাপটপ কেনার সময় দেখে নিবেন যে SSD স্লট রাখা আছে কিনা যাতে পরবর্তীতে SSD একটা লাগিয়ে নেবেন।

৮) ব্যাটারি লাইফ

নতুন কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড যে ধরণের ল্যাপটপই কিনেন না কেন ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ কি রকম সার্ভিস দেয় সেটা আপনার একটু চেক করে নিতে হবে। তবে মনে রাখবেন যে ল্যাপটপের ব্যাটারি লাইফ তাদেরই দরকার হয় যারা ল্যাপটপকে “ল্যাপটপ” এর মতো ব্যবহার করেন। আমার কথাই ধরুণ, আমার ল্যাপটপটি সারাদিনই চার্জে লাগানো থাকে, একমাত্র কারেন্ট চলে গেলে শুধুমাত্র ল্যাপটপের ব্যাটারিতে কিছুক্ষণ কাজ করি। আপনি যদি বাইরে বেশি সময় ধরে ল্যাপটপে কাজ করার জন্য কিনেন তাহলে এর ব্যাটারি লাইফটাই আপনার সবথেকে বেশি কাজে লাগবে।
তাই যারা ট্রাভেল বেশি করেন কিংবা সাংবাদিককের প্রথম পছন্দ হচ্ছে ম্যাকবুক এয়ার কিংবা ম্যাকবুক প্রো। লেটেস্ট ম্যাকবুক এয়ারে আপনি ১২ ঘন্টার ব্যাটারি লাইফ পাবেন! তবে গেমিং ল্যাপটপে কখনোই আপনি ব্যাটারি লাইফ ভালো পাবেন না। আসুসের প্রিডেটর গেমিং ল্যাপটপে দুটি RTX 2000 সিরিজের কার্ড লাগানো থাকায় ডিভাইসটি ব্যাটারিতে সর্বোচ্চ আধা ঘন্টা চলে!

৯) ওয়ারেন্টি এবং সার্পোট

টপ ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের সাথে থাকে টপনচ সার্পোট এবং ওয়ারেন্টি দেওয়া থাকে। তবে যে দামেরই ল্যাপটপ কিনেন না কেন আপনি নূন্যতম ৬ মাসের ওয়ারেন্টি পাবেন। তবে বাজেট হোক কিংবা গেমিং ল্যাপটপ হোক, কেনার আগে দেখে নেবেন যে সাথে স্ট্যান্ডার্ড ওয়ারেন্টি পাচ্ছেন কিনা।

১০) অনান্য বিষয়াদি

উপরের বিষয়গুলো ল্যাপটপ কেনার আগে ভালোমতো করে চেক করে নিবেন। তবে নিচের বিষয়গুলোও এক নজরে আপনাকে দেখতে হবে। সেগুলো হচ্ছে;

ক) প্লাটফর্ম: আপনার উদ্দেশ্য এবং ব্যক্তিগত চয়েজের উপর ল্যাপটপ প্লাটফর্ম নির্ভর করবে। আপনি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাকওএস এবং ক্রোম ওএস এর মধ্য থেকে প্লাটফর্ম বেছে নিতে পারবেন। আবার ওপেন সোর্সে সমস্যা না থাকলে মাকের্টে কিছু লিনাক্স ভিক্তিক ল্যাপটপও পেয়ে যাবেন।

খ) টাচস্ক্রিণ: এটা আমার কাছে একটি বিলাসিতামূলক ফিচার মনে হয়। অধিকাংশ ইউজাররাই টাচস্ক্রিণ ছাড়াই ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে আপনার কাছে টাচস্ক্রিণ প্রয়োজনীয় হলে এটা দেখে নিতে পারেন।

গ) কিবোর্ড: ল্যাপটপের ওজন এবং স্ক্রিণ সাইজের মতোই কিবোর্ডও হরেক রকমের হয়ে থাকে। আমার মতো ব্লগিংয়ের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চাইলে ফুল সাইজ কিবোর্ড দেওয়া রয়েছে কিনা সেটা চেক করে নিবেন।

ঘ) ডিসপ্লে: ভিজুয়াল-ভিক্তিক কাজ না করলে নরমাল ডিসপ্লে বা কেনার সময় যে রকম পাচ্ছেন সেটা দিয়েই আপনার কাজ হয়ে যাবে। তবে গ্রাফিক্সের কাজ কিংবা এ জাতীয় সুক্ষ্ম কাজ করার জন্য ল্যাপটপ নিলে আপনার চাই High Definition ডিসপ্লে

পরিশিষ্ট

নতুন কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কেনার আগে এই বিষয় মাথায় রাখলেই আপনি আশা করবো ঘটে আসবেন না। এরপরেও কেনার সময় সাথে একজন টেকনো এক্সপার্ট বন্ধুকে সাথে রাখতে ভূল করবেন না যেন। আর আমি আবারো বলছি বাসায় বসে গেমিংয়ের জন্য পিসি নেবার কথা ভাবলে চোখ বন্ধ করে গেমিং ডেক্সটপ নিয়ে নিন ল্যাপটপ গেমিংয়ের জন্য নয়।

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here